মো আলামিন (সাভার) থানা প্রতিনিধি: আসন্ন সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-১৯ (সাভার-আশুলিয়া) আসনে নির্বাচনী প্রচারণার শেষ সময়ে এসে ভিন্নধর্মী কর্মকাণ্ডে ভোটারদের নজর কেড়েছেন গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট শওকত কবির ফরহাদ। বড় বড় শো-ডাউন বা রাজপথ দখলের চিরাচরিত প্রথা ভেঙে তার এই ‘ব্যতিক্রমী প্রচারণা’ বর্তমানে পুরো নির্বাচনী এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অন্যান্য হেভিওয়েট প্রার্থীরা যখন শত শত মোটরসাইকেল বা বড় ট্রাক নিয়ে বিশাল মহড়া দিচ্ছেন, সেখানে শওকত কবির ফরহাদ বড় কোনো শো-ডাউন বর্জন করেছেন। তিনি ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে সরাসরি সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় যাচ্ছেন। বিশেষ করে সাভার ও আশুলিয়ার ঘনবসতিপূর্ণ শ্রমিক এলাকা এবং বস্তিগুলোতে গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বসে কথা বলছেন।
তাদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা ও অভাব-অভিযোগ শুনছেন এবং অবহেলিত এই শ্রমিক শ্রেণির অধিকার আদায়ে বলিষ্ঠ প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। পরিবেশবান্ধব ও শান্ত প্রচারণা তিনি ও তার সমর্থকরা ‘ফেস-টু-ফেস’ বা মুখোমুখি আলাপের ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন। পরিবেশের কথা বিবেচনায় নিয়ে তিনি প্লাস্টিক বা অতিরিক্ত ব্যানার ব্যবহার না করে কেবল লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে শান্তভাবে নিজের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছেন। স্লোগান: ‘নতুন প্রজন্মের নতুন রাজনীতি’অ্যাডভোকেট শওকত কবির ফরহাদের প্রচারণার মূল স্লোগান হচ্ছে ‘নতুন প্রজন্মের নতুন রাজনীতি’।
ভোটারদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলছেন, সাভারে চাঁদাবাজি এবং ভূমিদস্যুতা চিরতরে বন্ধ করতে হলে প্রথাগত রাজনীতির বাইরে গিয়ে শিক্ষিত ও আইনি পেশার মানুষকে জয়ী করতে হবে। তার এই সাহসী অবস্থান স্থানীয় সচেতন মহলে বেশ ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। তার ব্যক্তিগত ইশতেহারে বড় বড় প্রতিশ্রুতির বদলে সাভারের জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং নিম্নবিত্ত শ্রমিকদের জন্য সুলভ চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপনের মতো বাস্তবসম্মত সমস্যা সমাধানের অঙ্গীকার করেছেন তিনি।নির্বাচনী আইন অনুযায়ী প্রচারণার সময় শেষ হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে আজ রাত থেকে আগামীকাল পর্যন্ত তিনি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে শেষ মুহূর্তের জোরালো গণসংযোগ চালাবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।


