আব্দুল্লা আল মনির |(সাভার) উপজেলা প্রতিনিধি: ঢাকার সাভার ও আশুলিয়ার সংসদীয় আসনে জামায়াতের প্রার্থী প্রত্যাহার করে ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী দিলশানারা পারুলকে সমর্থন দেওয়ায় ডা: দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু’র বিপরীতে হেভিওয়েট প্রার্থী না থাকায় অনেকটাই নির্ভরশীল বিএনপি। এরফলে নির্বাচনী আমেজের মাঠ একপ্রকার নিরুত্তাপ বলাই চলে।
প্রার্থীরা ভোটারদেরকেও দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। ব্যস্ত সড়ক থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার অলিতে-গলিতে এখন শুধুই ভোটের হিসাব। এদিকে উন্নয়ন আর সঠিক নেতৃত্বকেই প্রাধান্য দিতে চান ভোটাররা। সবমিলিয়ে সাভার ও আশুলিয়ায় নির্বাচনকে ঘিরে চলছে ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে প্রাণোচ্ছ্বল যোগাযোগ। কে পাচ্ছেন ভোটারদের আস্থা, এর উত্তর মিলবে ১২ই ফেব্রুয়ারী ভোটের দিন। বিএনপিকে দেখা গেলেও অন্যান্য দলের প্রার্থী ও তাদের সমর্থকের নির্বাচনী প্রচারের মাঠে দেখা যাচ্ছে না বা তাদেরকে চিনেন না বলে এমনটাই জানান সাধারন ভোটাররা।
সরেজমিনে ভোটের মাঠে ঘুরে দেখা যায় যে, বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা: দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু এবং নেতাকর্মী সহ তাঁর সমর্থকরা এই আসনে মিছিল, মিটিং, গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক সহ নানা মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা করছেন। অন্যদিকে এনসিপি’র প্রার্থীকে কোথাও কোথাও প্রচারণা চালিয়ে যেতে দেখা গেছে। এছাড়া অন্যান্য দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণার তেমন দৃশ্য চোখে পড়েনি।
সাধারন ভোটাররা বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পরে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে পারবো বলে আমাদের মনের মধ্যে একপ্রকার আনন্দ অনুভব করছি। তবে ভোটের আগের দিনগুলোতে যেরকম জাঁকজমকভাবে নির্বাচনী হাওয়ার আমেজ বওয়ার কথা ছিলো এই আসনটিতে সেইরকম আমেজ নেই। সামনে নির্বাচন এটা মনে হচ্ছে না। এছাড়া বিএনপির মিছিল মিটিং দেখা গেলেও আর অন্য কোন দলের প্রার্থীর মিছিল মিটিং দেখা যায় না এবং তাদেরকে আমরা চিনিও না। কাকে ভোট দিবেন এমন প্রশ্নের জবাবে সাধারন ভোটাররা বলেন, সঠিক নেতৃত্ব ও যোগ্য প্রার্থী এবং যারা দেশ ও দশের উন্নয়ন করবেন আমরা তাকেই ভোট দিবো।
ভোটারদের দোরগোড়ায় গিয়ে ধানের শীষ মার্কার ডা: দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবুর পক্ষে ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন বলে বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের অভিমত।ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা: দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু বলেন, নির্বাচনী মাঠে আমার কোন প্রতিবন্ধকতা নেই। আমি সকাল থেকে রাত অবদি আমার ধানের শীষ মার্কার প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। এছাড়া আমার নেতাকর্মী ও সমর্থকরাও ধানের শীষ মার্কাকে বিজয় করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। ভোটারদের দোরগোড়ায় গিয়ে আমি বুঝতে পেরেছি যে, আমি জনগণের আস্থা অর্জন করতে পেরেছি। এই দৃষ্টিকোণ থেকে আমি বিজয়ের বিষয়ে শতভাগ আশাবাদী।
অন্যদিকে, দশ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী দিলশানারা পারুল বলেন, জনগণ পরিবর্তন চায়, তাই তারা আমাকে ভোট দিবে। শতভাগ আশাবাদী আমি বিজয় লাভ করবো ইনশাল্লাহ!এদিকে, গণধিকার পরিষদের মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ফরহাদ হোসেন শওকত এর সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। এছাড়াও অন্যান্য প্রার্থীদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

