নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান শনিবার সকালে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি বিস্তারিত পোস্টে জানান, বর্তমানে তার মা, বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং তার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন। তিনি বলেন, “দেশের সকল স্তরের নাগরিক, দল-মত নির্বিশেষে, মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং আমাদের দলের নেতাকর্মীদের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য আন্তরিক দোয়া অব্যাহত রেখেছেন। চিকিৎসকরা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতার সঙ্গে তার সেবা প্রদান করছেন, এবং বিদেশি বন্ধুপ্রতীম রাষ্ট্র থেকেও উন্নত চিকিৎসাসহ সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের ইচ্ছা প্রকাশ করা হয়েছে।”
তারেক রহমান আরও বলেন, “মায়ের শারীরিক অবস্থার এই সংকট মুহূর্তে, যেমনটি যেকোনো সন্তানের জন্য স্বাভাবিক, আমারও তীব্র আকাঙ্খা রয়েছে মায়ের স্নেহ স্পর্শ করার। তবে, এই ইচ্ছাকে বাস্তবায়ন করা আমার একক সিদ্ধান্তের বাইরে, এবং এটি একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়। স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়ার সুযোগ সীমিত।”তিনি আশা প্রকাশ করেন, “রাজনৈতিক বাস্তবতার বর্তমান পরিস্থিতি যখন প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছাবে, তখনই স্বদেশে ফিরে আসার জন্য দীর্ঘ সময় ধরে তীব্র উদ্বিগ্ন থাকা অবসান ঘটবে। এই সময় পর্যন্ত, আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি যারা খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন।”
তারেক রহমান দেশবাসী ও দলের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, “এই সংকট মুহূর্তে আমাদের মায়ের জন্য দোয়া অব্যাহত রাখার জন্য এবং একে সুস্থ ও রোগমুক্ত করার প্রার্থনা করার জন্য সবাই একত্রিত হোক। আপনারা যে ভালোবাসা ও সমর্থন দেখিয়েছেন, তা আমাদের পরিবার গভীরভাবে কৃতজ্ঞ।”পোস্টে বলা হয়েছে, চিকিৎসক দল এবং দলের পক্ষ থেকে সব ধরনের সম্ভাব্য চিকিৎসা ও সহায়তা অব্যাহত রয়েছে। এই অবস্থায় তারেক রহমানের দেশের প্রতি প্রত্যাবর্তন এখন নির্ভর করছে রাজনৈতিক ও স্বাস্থ্যগত পরিস্থিতির সমন্বয় এবং পরিবারের জন্য এটি একটি দীর্ঘ ও সতর্ক প্রত্যাশার বিষয়।

