টঙ্গিবাড়ী প্রতিনিধি: মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার হাসাইল বানারী ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির (ওএমএস) চাল বিতরণে বড় ধরনের অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ডিলার খোকন বেপারীর বিরুদ্ধে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৩০ কেজির এক বস্তা চাল ১৫ টাকা কেজি দরে কার্ডধারীদের মাঝে ৪৫০ টাকায় বিক্রির কথা থাকলেও, অভিযোগ উঠেছে—এই চাল ডিলার খোকন বেপারী বিক্রি করেছেন প্রায় দ্বিগুণ দামে, তাও আবার কার্ডবিহীন সাধারণ মানুষের কাছে!
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বৃদ্ধা জানান, “আমি নিজের কার্ড না থাকায় খোকন বেপারীর কাছ থেকে ২ বস্তা চাল ২০০০ টাকায় কিনে এনেছি।” শুধু তিনিই নন, একাধিক এলাকাবাসীও একই অভিযোগ করেছেন। তাদের ভাষ্যমতে, প্রতি বস্তা চালের জন্য তাদের দিতে হয়েছে ১০০০ টাকা, যেখানে প্রকৃত মূল্য মাত্র ৪৫০ টাকা।এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত কার্ডধারীদের মাঝেও চাল কম পরিমাণে বিতরণ করা হচ্ছে।এই বিষয়ে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত ডিলার খোকন বেপারী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। আমি কারো নিকট চাল বিক্রি করিনি।”
সরকারের ন্যায্যমূল্যের চাল যেন সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছে—তা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযোগ তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা।হাসাইল বানারী ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান দেওয়ান বলেন, আমার কাছে এমন কোনো অভিযোগ নিয়ে কেউ আসেনি। যদি ডিলারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তথ্য হয় তাহলে ইউএনও বরাবর ডিলার বাতিলের আবেদন জানানো হবে।টঙ্গীবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

