ঢাকাশনিবার , ১৪ মার্চ ২০২৬
আজকের সর্বশেষ খবর

ভোটের কালি শুকানোর আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছি: প্রধানমন্ত্রী


মার্চ ১৪, ২০২৬ ১:১৭ অপরাহ্ণ
Link Copied!

স্টাফ রিপোর্টার:   প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পরই নির্বাচনের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে সরকার দ্রুত কাজ শুরু করেছে। তিনি বলেন, “ভোটের কালি নখ থেকে মুছার আগেই আমরা ধারাবাহিকভাবে আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি।”শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজের অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষের জন্য আর্থিক সহায়তা ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে বৈষম্য কমাতে সরকার কাজ করছে। জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।তিনি জানান, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা নারীদের জন্য ইতোমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে সারাদেশে বিতরণ করা হবে। পাশাপাশি আগামী ১৪ এপ্রিল পয়লা বৈশাখ থেকে চালু হবে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’। এছাড়া আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে।

তারেক রহমান বলেন, আজকের এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানে এমন কিছু মানুষ উপস্থিত হয়েছেন, যাদের সমাজ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সম্মান করে এবং কঠিন সময়ে যাদের কাছ থেকে মানুষ পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা প্রত্যাশা করে। অনুষ্ঠানে ইসলাম ধর্মের ইমাম, খতিব ও মুয়াজ্জিনদের পাশাপাশি হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের পুরোহিত, সেবায়েত এবং বিহার অধ্যক্ষরাও উপস্থিত রয়েছেন।তিনি বলেন, আজ থেকে ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলো। পর্যায়ক্রমে সারাদেশে যাদের প্রয়োজন, তাদের সবাইকে এই সহায়তার আওতায় আনা হবে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করেই একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গড়ে তুলতে চায় সরকার, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ফ্যাসিবাদী বা অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা হরণ করতে না পারে। তিনি বলেন, “নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না।”তিনি আরও বলেন, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। তবে রাষ্ট্র ও সমাজের প্রতি নাগরিকদেরও দায়িত্ব রয়েছে। সবাই যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করে, তাহলে আগামী ১০ বছরের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

✅ আমাদের প্রকাশিত কোন সংবাদের বিরুদ্ধে আপনার অভিযোগ  বা পরামর্শ থাকলে ই-মেইল করুনঃ dailyvorerkhabor@gmail.com❌ বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।