

নিজস্ব প্রদিবেদক: ভোটের সময় একজন ব্যক্তি কত টাকা বহন করতে পারবেন, এ বিষয়টি নিয়ে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি থাকলেও নির্বাচন কমিশন (ইসি) স্পষ্ট করেছেন যে, বৈধ উৎস থেকে আসা এবং বৈধভাবে খতিয়ান দেখানো টাকার কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, যদি একজন ব্যক্তি তার টাকা বৈধ উৎস থেকে সংগ্রহ করেছে এবং তা ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতে চায়, তবে সে ৫০ লাখ বা তার চেয়েও বেশি, এমনকি ৫ কোটি টাকা বহন করলেও কোনো আইনি সমস্যা হবে না।
তিনি আরও ব্যাখ্যা করেন, ভোটের সময় টাকা বহনের ক্ষেত্রে মূল বিষয় হলো টাকা বৈধ কিনা এবং তার উৎসকে প্রমাণ করা যায় কিনা। টাকা যদি ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে বহন করা হয়, তবে এটি কোনো অভিযোগের কারণ হবে না। তবে যদি সেই টাকা ভোটপ্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার বা ভোটারকে প্ররোচিত করার কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে থাকে, তাহলে তার তদন্ত এবং ব্যবস্থা নেবে ‘নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’। অন্যদিকে, যদি টাকা অবৈধ উৎস থেকে আসে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।
উদাহরণস্বরূপ, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন প্রধানকে ৫০ লাখ টাকাসহ আটক করা হয়েছে। যদিও এই ঘটনা ভোট প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে হয়েছে কিনা, তা তদন্ত করা হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনাগুলো দেখায় যে, বৈধতা এবং উদ্দেশ্য হল মূল নির্ধারক। ইসি সচিবের এই ব্যাখ্যা ভোটার এবং রাজনৈতিক প্রতিনিধিদের জন্য পরিষ্কার করে দেয় যে, টাকার বৈধতা এবং তার সঠিক উৎস প্রদর্শন করা অপরিহার্য, এবং এটি ভোটের সময় টাকা বহনের সীমার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে না।
এভাবে নির্বাচন কমিশন ভোট ও আর্থিক স্বচ্ছতার মধ্যে একটি পরিষ্কার সীমারেখা স্থাপন করেছে, যা ভোটারদের সচেতনতা এবং আইনের প্রতি সম্মান নিশ্চিত করে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এ্যাড. নজরুল ইসলাম । ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ভোরের খবর,খন্দকার এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান। অফিসঃ ১৫০ নাহার ম্যানসন (৫ম তলা) মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,ঢাকা -১০০০। বার্তাকক্ষ-+৮৮০১৭৪৫-৩৫৪২৭৭