

মোঃ দুল্লাপ হোসেন (ঝিনাইদহ) জেলা প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের সংঘর্ষে সোহেল নামের পুলিশসহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছে। সোমবার দুপুরে শৈলকুপা উপজেলার ১০ নং বগুড়া ইউনিয়নের বারইহুদা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান যে, এলাকায় সামাজিক আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বগুড়া ইউনিয়নের জামিরুল ইসলাম(জামির)এর সমর্থক নাসির মেম্বার ও রাকিবুল হাসান খান দিপুর দাউদ মেম্বার সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিলো।
সকালে জামিরুলের সমর্থক কালাম ও সালামের বাড়িতে গিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আহত করে। পরে জামিরুলের সমর্থক নাসির মেম্বারের লোকজন পাল্টা হামলা চালালে দিপুর সমর্থক আকলিমা নামের এক নারী আহত হয়।পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ বারইহুদা গ্রামে এসে জামিরুলের দলীয় মাতব্বর নাসির মেম্বারকে আটক করতে গেলে বিক্ষুব্ধ জনতা পুলিশকে বাধা দেয়। এক পর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতার হামলায় হাটফাজিলপুর ক্যাম্পের পুলিশ সদস্য সোহেল রানা আহত হয়। আহতদের শৈলকুপা ও ঝিনাইদহ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।এ ঘটনায় বগুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জামিরুল ইসলাম জানান, বারইহুদা গ্রামের আমার সমর্থকের উপর সকালে অতর্কিত হামলা চালায় দিপুর লোকজন। পুলিশ তাদের আটক না করে আমার লোকজনকে উল্টো ধরতে গেলে পুলিশের সাথে গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় পুলিশের মারধরের শিকার হয়ে বারইহুদা গ্রামের নাসির মেম্বারের কর্মী কবির আহত হয়ে ঝিনাইদহ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও বগুড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রাকিবুল হাসান খান দিপু জানান, আমি কোন দলাদলির ভেতরে নেই। যারা সংর্ঘষে লিপ্ত ও পুলিশের উপর হামলা করেছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করি।শৈলকুপা থানার ওসি (তদন্ত) শাকিল আহমেদ জানান, বারইহুদা গ্রামে সংঘর্ষের ঘটনায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এ্যাড. নজরুল ইসলাম । ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ভোরের খবর,খন্দকার এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান। অফিসঃ ১৫০ নাহার ম্যানসন (৫ম তলা) মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,ঢাকা -১০০০। বার্তাকক্ষ-+৮৮০১৭৪৫-৩৫৪২৭৭