

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ শহরের কাঞ্চননগর এলাকায় মোটর শ্রমিকে কর্মরত ইমরান হোসেনের বাড়ির জায়গায় গরুর মল-মুত্র, নোংরা আবর্জনা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি ফেলে পরিবেশ নষ্ট করার অভিযোগ উঠেছে মনির হোসেনের বিরুদ্ধে।এছাড়া তার বাড়ির আঙিনায় নিয়মিত গরুর বর্জ্য ফেলে বসবাসের অনুপযোগী করে ফেলেছে প্রতিপক্ষরা। নোংরা আবর্জনার কারণে আশপাশের এলাকায় এর প্রভাব পড়ছে। পরিবেশ দূষণ হচ্ছে সেই সাথে এলাকায় মশা,মাছির উপদ্রব বেড়েছে। বাড়ির পাশের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা জানান,আমাদের এখানে ময়লা পানি ফেলার কারণে এলাকায় নোংরা হচ্ছে। নোংরা পানি আশপাশে ছড়িয়ে পড়ছে ফলে এলাকা নোংরা হচ্ছে। সে কারণে রোগবালাই দেখা দিতে পারে।
আমরা চাই ঝিনাইদহ পৌরসভা পানির নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থা করুক না হলে আবাসিক এলাকার মধ্যে থেকে গরুর গোয়াল উঠিয়ে দিক। এ বিষয়ে ইমরান হোসেনের বাবা গোলাম মোস্তফা জানান,আমার ভাইয়ের সাথে আমাদের পারিবারিক জায়গা জমি নিয়ে বিরোধ আছে। আমরা তাদের মধ্যে জমি পাব কিন্তু সেই জমি বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো আমাদের জমিতে তারা গরুর নোংরা ময়লা আবর্জনা ফেলে। ময়লা ফেলার বিষয়ে আমার স্ত্রী প্রতিবাদ করলে তারা স্ত্রীকে গত ১৯/০১/২৬/ ত্রিখে মেরে হাসপাতালে পাঠায়। আমার স্ত্রীর মাথায় কোপের আঘাতে ৮ টা সেলাই দেওয়া।
আমি এ ঘটনায় সদর থানায় একটি মামলা করেছি। এমন হলে আমার বাড়িতে বসবাস করা সম্ভব না। আমি প্রশাসনের কাছে এঘটনার সঠিক বিচার চাই। ভুক্তভোগী ইমরান হোসেন বলেন, আমরা কিছু বললেই আমার চাচারা মারতে আসে আমি সারাদিন টার্মিনালে কাউন্টারে কাজ করি আমার মাকে অন্যায় ভাবে মেরেছে আমাকেও মারার জন্য হুমকি ধামকি দিচ্ছে। সাধারণ মানুষ হিসেবে আমি ও আমার পরিবারে নিরাপত্তা চাই। এব্যাপারে অভিযুক্ত মনির হোসেনের কাছে জানার জন্য মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এ্যাড. নজরুল ইসলাম । ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ভোরের খবর,খন্দকার এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান। অফিসঃ ১৫০ নাহার ম্যানসন (৫ম তলা) মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,ঢাকা -১০০০। বার্তাকক্ষ-+৮৮০১৭৪৫-৩৫৪২৭৭