

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় নদী ও ছড়া থেকে অবৈধভাবে রাষ্ট্রীয় খনিজ সম্পদ সিলিকা ও লাল বালু উত্তোলন অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতায় প্রভাবশালী একটি সিন্ডিকেট প্রতিদিন কোটি টাকার বালু উত্তোলন ও বিক্রির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দেওয়ারগাছ ইউনিয়নের সুতাং নদী, রানীগাঁও ইউনিয়নের জিবদর ছড়া, পাইকপাড়া ইউনিয়নের বদরগাজী, আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের ঘনশ্যামপুর ও কালিশিরী, এবং মিরাশি ইউনিয়নের নালমুখ খোয়াই নদী এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে চলছে বালু উত্তোলন। এসব কর্মকাণ্ডে নদীর তীর ভাঙন, কৃষিজমি নষ্ট হওয়া ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের নীরবতা ও প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এই অবৈধ কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে চলছে। এতে সরকার একদিকে রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে স্থানীয় পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক ইউপি সদস্য দুলাল ভূইয়া বলেন,“চুনারুঘাটে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুট চলছে প্রকাশ্যে। প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এখনই ব্যবস্থা না নিলে পরিবেশ বিপর্যয়ের পাশাপাশি স্থানীয় জনজীবনও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”
জাতীয় নাগরিক দলের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক ফজল কারী বলেন,“চুনারুঘাটের নদী-নালা থেকে প্রতিদিন কোটি টাকার বালু উত্তোলন হচ্ছে। প্রশাসনের নীরবতা আমাদের গভীরভাবে উদ্বিগ্ন করছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।”এ বিষয়ে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর মন্তব্য পাওয়া যায়নি।স্থানীয়রা জানিয়েছেন, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত ও কার্যকর প্রশাসনিক উদ্যোগ না নিলে নদীভাঙন, কৃষিজমি ধ্বংস এবং পরিবেশ বিপর্যয়ের ঝুঁকি আরও বেড়ে যাবে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এ্যাড. নজরুল ইসলাম । ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ভোরের খবর,খন্দকার এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান। অফিসঃ ১৫০ নাহার ম্যানসন (৫ম তলা) মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,ঢাকা -১০০০। বার্তাকক্ষ-+৮৮০১৭৪৫-৩৫৪২৭৭