মোঃ হোসেন (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রামে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান,বলেন, ক্ষমতায় গেলে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে এবং দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি রক্ষায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না, অপরাধী যেই হোক সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম নগরের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড ময়দানে বিএনপির নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তারেক রহমান বলেন, চট্টগ্রামের অন্যতম বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। এই সমস্যা নিরসনে খাল খননসহ সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করে চট্টগ্রামকে জলাবদ্ধতামুক্ত করা হবে।
তিনি বলেন, ইপিজেডে বিপুলসংখ্যক মানুষ চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করছে, যার ভিত্তি তৈরি হয়েছিল বিএনপি সরকারের সময়। ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করলে ইপিজেড সম্প্রসারণ করা হবে এবং চট্টগ্রামকে দেশের বাণিজ্যিক রাজধানীতে পরিণত করা হবে। বিএনপিই এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করবে।আইনশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে তার মা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে অপরাধ ও অপকর্মে জড়িতদের কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি, এমনকি তারা দলীয় হলেও না। জনগণের ভোটে বিএনপি আবার ক্ষমতায় এলে কঠোর হাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
গত ১৬ বছর দেশে প্রকৃত বাকস্বাধীনতা ছিল না। দেশের মানুষ শিক্ষা, চিকিৎসা ও রাজনৈতিক অধিকারের পরিবর্তন চায় যে অধিকার তাদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।বিএনপির ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, বিএনপি যতবার ক্ষমতায় এসেছে, ততবারই দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করেছে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য।স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে পরিকল্পনার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হবে। সারাদেশে এক লাখ হেলথ কেয়ারার নিয়োগ দেওয়া হবে।
তারেক রহমান বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় মেয়েদের অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বিনা বেতনে শিক্ষা দেওয়া হয়েছিল। ভবিষ্যতে নারীদের স্বাবলম্বী করতে গ্রামগঞ্জসহ প্রত্যন্ত অঞ্চলে, ফ্যামিলি কার্ড,পৌঁছে দেওয়া হবে।কৃষি খাত নিয়ে তিনি বলেন, কৃষক ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ করতে হলে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে হবে। এজন্য কৃষকদের হাতে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে,তারেক রহমান বলেন, আগামীর বাংলাদেশ গড়তে দুটি বিষয়ে কঠোর হতে হবে একটি মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অন্যটি দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা।

