

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহে তদন্তের মাধ্যমে ফেঁসে গেল ঝিনাইদহ সদর উপজেলার অধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন ও সালেহা খাতুন নিন্ম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞানের শিক্ষক মোছাঃ হালিমা খাতুন এবং নিম্নমান সহকারী মোছাঃ রেবা খাতুন নামের ২ নারী। তাদের ফেঁসে যাওয়ার কারণ হলো গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে " দৈনিক সত্যপাঠ, দৈনিক রুপালী দেশ, দৈনিক প্রতিদিনের কন্ঠ, দৈনিক প্রতিজ্ঞা সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকা অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় " ঝিনাইদহের এমপিও ভুক্ত একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বহির্ভূত শিক্ষক ও অফিস সহকারী" এই শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এই সংবাদটি প্রকাশিত হওয়ার পর ঝিনাইদহ সদর উপজেলা সাবেক নির্বাহী অফিসার রাজিয়া আক্তার চৌধুরী ঝিনাইদহ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার কামরুজ্জামান কে বিষয়টা তদন্ত করে রিপোর্ট দেয়ার জন্য বললেও কামরুজ্জামান এই বিষয়ে ব্যাপক গড়িমোষী করে। তবে উপজেলা শিক্ষা অফিসার নিরব থাকলেও নিরব থাকেনি মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। যার প্রেক্ষিতে মে মাসের প্রথম দিকে এই বিষয়টা ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা অফিসারের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তার নির্দেশের প্রেক্ষিতে ২৫-০৫-২০২৫ তারিখে ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা অফিসার বিষয়টা তদন্ত করেন এবং এবং সংশ্লিষ্ট দফতরে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। তার তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনার সত্যতার প্রমাণ মেলে সেই প্রমাণের ভিত্তিতে তিনি সঠিক তদন্ত রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করেন।
জেলা শিক্ষা অফিসার ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের তদন্ত প্রতিবেদনের পর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক অধিদপ্তর থেকে বিগত ৮-১০-২৫ তারিখে সহকারি পরিচালক মাধ্যমিক ২ এস এম মাসলেম উদ্দিন কর্তৃক কারণ দশা ও নোটিশ সংশ্লিষ্ট ২ জন সহ তার অনুলিপি বিভিন্ন দপ্তরে প্রদান করে। সেখানে উল্লেখ করা হয় যে জেলা প্রশাসকের পাঠানো তদন্ত অভিযোগ প্রমাণিত হয় জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০২১ এর ১৮১ গ এবং 'ঙ' ধারা মোতাবেক কেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার কারণ দর্শানোর পর ১০ কর্ম দিবসের মধ্যে প্রেরণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হল।
শিক্ষা অধিদপ্তরের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না পাওয়ার পরে ফের ৬-১১-২৫ তারিখে মাধ্যমিক টু এর উপসহকারী পরিচালক এসএম মোসলেম উদ্দিন কারন দর্শানোর জবাব প্রেরন সংক্রান্ত আরেকটা নোটিশ প্রদান করেছেন। উক্ত প্রতিবেদনে কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব না দেওয়ার কারণ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয় এবং ৭ কর্ম দিবসের পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।
ঘটনার পরেও তারা বহাল তবিয়তে ওই বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের সহযোগিতায় বহাল আছে। এই প্রসঙ্গে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকের পরিচয় জানার পর রেগে যান এবং বলেন আপনার সাথে আমি কোন কথা বলবো না এবং আমার কোন কথা বলার ইচ্ছা নেই। তবে নোটিশ পাওয়ার কথা স্বীকার করেন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এ্যাড. নজরুল ইসলাম । ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ভোরের খবর,খন্দকার এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান। অফিসঃ ১৫০ নাহার ম্যানসন (৫ম তলা) মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,ঢাকা -১০০০। বার্তাকক্ষ-+৮৮০১৭৪৫-৩৫৪২৭৭