কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি খাদ্যশস্য বিক্রয় কেন্দ্র ছোট মহেশখালী ইউনিয়নে ভিজিএফের চাল বিতরণে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।২৮ ও ২৯ অক্টোবর (মঙ্গলবার ও বুধবার) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের তিন তুলা গাছতলা স্থানে ডিলারের কেন্দ্রে চাল বিতরণে এ অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ভিজিএফের চাল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করতে করতে বাড়িতে যাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা। কেউ বলেছেন ৩০ কেজি চালের মধ্যে ২৬ কেজি কেউ বলেছেন ২৭ কেজি চাল পাইছে। এমনকি চালের ওজন মাপার জন্য ডিজিটাল স্কেল মেশিন ব্যবহার করা হয়নি। একটি বালতিতে করে মনগড়াভাবে চাল বিতরণ করা হয়।একাধিক উপকারভোগী জানান, প্রত্যেক দরিদ্র উপকারভোগীকে ৩০ কেজি করে চাল দেওয়ার কথা থাকলেও ২৬/২৭ কেজি করে দেওয়া হয়েছে। বালতিতে মেপে চাল দিয়েছে। পরে মেপে দেখা যায়, প্রত্যেককেই চাল কম দেওয়া হয়েছে।এছাড়াও লেবার চার্জ বাবদ প্রতিজন থেকে ২০ টাকা অতিরিক্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা।
ইউনিয়নের নারী সুবিধাভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, চাউল নেওয়ার জন্য গিয়ে দেখি সেই ভীড়। অনেক কষ্টে লাইনে দাঁড়িয়ে চাউল নিলাম। চাউল দিয়েছে বালতি মেপে। গতবারও বাড়িতে নিয়ে মেপে দেকি ২৬ কেজি। চার কেজি চাউলই কম। ওরা বেশি খারাপ মানুষ।ইউনিয়নের চাউল নিতে আসা আব্দুল গফুর বলেন, ৩০ কেজির জায়গায় ২৬/২৭ কেজি চাল দিয়েছে। যেখানে ৩/৪ কেজি চাল নেই।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই বলেন, কাউকে ২৬ কেজি, কাউকে ২৭ কেজি আবার কাউকে সাড়ে ২৭ কেজিও দেয়া হচ্ছে।এবিষয়ে মহেশখালী উপজেলা খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা দিবেন্দু বড়ুয়া’র সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে জানা যায়, এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। অনিয়মের বিষয়টি তিনি জেনে পদক্ষেপ নিবেন বলে জানান।

