

রংপুর প্রতিনিধি: রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় ঘূর্ণিঝড় এবং বন্যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান মৃধা-এর নেতৃত্বে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সহযোগিতায় সোমবার বিকেলে বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করা হয়। এ সময় মোট ২০ মেট্রিক টন চাল এবং নগদ দুই লাখ টাকা ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। ত্রাণ বিতরণে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্বেচ্ছাসেবকরা উপস্থিত ছিলেন।
চর শংকরদহ গ্রামের রোকেয়া বেগম জানান, বন্যায় আমাদের ঘরবাড়ি ভেসে গেছে। সরকারের দেওয়া চাল ও নগদ সহায়তা সীমিত হলেও আমাদের নতুন করে বাঁচার আশা জাগিয়েছে।নোহালী ইউনিয়নের আবু তালেব বলেন, ঘূর্ণিঝড়ে ঘরবাড়ি ভেঙে সব শেষ হয়ে গেছে। এই সামান্য সহায়তা আমাদের জন্য বিশেষ সহায়ক ভূমিকা রাখবে ।খামার মোহনা গ্রামের আনোয়ার হোসেন জানান, ফসল ও ঘরবাড়ি সব ধ্বংস হয়ে গেছে। এই সহায়তা শুধুমাত্র কয়েকদিনের খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনের সামগ্রী যোগাতে সাহায্য করবে ।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব এবং মানবিক কর্তব্য। ত্রাণ সামগ্রী ক্ষতিগ্রস্তদের জীবনে পরিবর্তন না আনলেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। আমরা শুধু সহায়তা প্রদানেই থামব না, ধাপে ধাপে সকল ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে পুনর্বাসনের আওতায় আনার জন্য কাজ চালিয়ে যাব। সমাজের সচেতন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান যদি এগিয়ে আসে, তাহলে কেউই অসহায় থাকবে না। আমরা দৃঢ়ভাবে চেষ্টা করব প্রতিটি পরিবার যেন এই ক্ষতি কাটিয়ে স্বাবলম্বী হতে পারে ।ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত স্থানীয়রা আশা প্রকাশ করে বলেন, এনজিও, সমাজিক সংগঠন,সমাজের বিত্তবান ও সচেতন মহল এগিয়ে এসে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াবেন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এ্যাড. নজরুল ইসলাম । ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ভোরের খবর,খন্দকার এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান। অফিসঃ ১৫০ নাহার ম্যানসন (৫ম তলা) মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,ঢাকা -১০০০। বার্তাকক্ষ-+৮৮০১৭৪৫-৩৫৪২৭৭