ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার মুরুটিয়া-বলরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শামসুলের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার প্রলোভনে ৬ লক্ষ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।প্রধান শিক্ষকের এই টাকা আত্মসাতের ঘটনায় গত ১৩ আগষ্ট উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন ভুক্তভোগী রাজিয়া সুলতানা।ভুক্তভোগী রাজিয়া সুলতানা উপজেলার ফুলবাড়ী গ্রামের আশরাফুল ইসলামের স্ত্রী।
তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন,বিগত ২০১৬ সালের ৯ মার্চ স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মুরুটিয়া-বলরামপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী গ্রন্থাগারিক পদে চাকরির জন্য আবেদন করেন। এরপর তাকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের জন্য ৬ লক্ষ টাকা নেন প্রধান শিক্ষক শামসুল হক। কিন্তু তাকে নিয়োগ না দিয়ে বিভিন্ন তালবাহানা করতে থাকে। পরে তার চাকরি হবে না বুঝতে পেরে ঐ ৬ লক্ষ টাকা ফেরত চাই রোজিনা। এক পর্যায়ে প্রধান শিক্ষকের কাছে টাকা ফেরত চাইলে টাকা ফেরত না দেওয়ার পাঁয়তারা করেন এবং বিভিন্ন ভাবে হুমকি-ধামকি দিতে থাকে।
পরে কোন কুল কিনারা না পেয়ে কোটচাঁদপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন রোজিনা।এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রধান শিক্ষক শামসুল হকের ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। উপজেলা শিক্ষা অফিসার জানান,প্রধান শিক্ষক শামসুলের বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নেওয়ার একটি অভিযোগ পেয়েছি। তিনি বলেন,এখন তার চাকরি নেই মাঝে শুনতে পারলাম সে এরেস্ট হয়েছিলো,বর্তমা প্রধান শিক্ষককে বলেছি কমিটিতে সভা করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে এ সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে ফোন করা হলে ফোনটি রিসিভ হয়নি।

