

উপজেলা প্রতিনিধি: কাজিপুরে তথাকথিত নামধারী ভন্ড চিকিৎসক আব্দুল লতিফের অপচিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে ভুক্তভোগীর রোগীর স্বজনদের। প্রশাসন থেকে ওই ডাক্তারের বিরুদ্ধে অভিযানও পরিচালিত হয়েছে। তবুও থামেনি তার চিকিৎসার নামে প্রতারণা। তার খপ্পড়ে পড়ে সাধারণ রোগীরা ভুল চিকিৎসার বলি হয়ে অনেকেই পঙ্গুত্ববরণ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, কাজিপুরের চালিতাডাঙ্গা ইউনিয়নের মাথাইলচাপর বাজারে আব্দুল লতিফের ডাক্তারী বিষয়ে কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নেই। কিন্তু তাতে কি? সনদ না থাকলেও ডাক্তার সেজে প্রতিদিন তিনি শত শত রোগীকে অপচিকিৎসা দিয়ে রোগিদের মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। বাত ব্যথাজনিত রোগিদেরকে তিনি এই অপচিকিৎসা দিয়ে আসছেন। খোজ নিয়ে জানা যায়, আলফাকড, ট্রায়ালনসহ বেশকিছু ব্যথানাশক,স্ট্রেরয়েড গ্রূপের ঔষধ কোনরূপ বাছবিচার ছাড়াই তিনি রোগীদের দেহে প্রয়োগ করেন। এত রোগীরা সাময়িকভাবে আরাম বোধ করলেও স্থায়ীভাবে ওইসব রোগীদের কিডনি, লিভারের মারাত্মত ক্ষতি হচ্ছে। এমনকি এ্যাবসেস এর মত দুরারোগ্য ব্যাধিসহ অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে রোগীদের অঙ্গহানীর ঘটনাও ঘটেছে।
কাজীপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপসহকারী মেডিকেল অফিসার মিলন মিয়া জানান, সম্প্রতি ওই কথিত লোকের কাছ থেকে চিকিৎসা নিয়ে অসুস্থ হয়ে বেশ কয়েকজন ফোড়া আক্রান্ত রোগী আমি অপারেশনের মাধ্যমে সুস্থ করে তুলেছি। অভিযোগ আছে, একসময় ছাত্রলীগের দুর্ধর্ষ ক্যাডার ও বর্তমানে ওই বাজারের চাস্টল কর্মচারী সজিব রানার যোগসাজসে আব্দুল লতিফ দীর্ঘদিন যাবৎ মাথাযেইলচাপড় বাজারে রোগীদের অপচিকিৎসা দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন।
অভিযোগে আরও জানা যায়, কথিত ওই ডাক্তারকে শেল্টার দেয়া সজীব রানা একসময়ের দূর্ধর্ষ ছাত্রলীগের ক্যাডার হওয়ায় আ,লীগ নেতা খলিল সাহেবের ছত্র ছায়ায় ছিলেন। সেই বলে তিনি ওই ডাক্তারকে ভুল চিকিৎসার ব্যবসায় সহযোগিতা করেছেন ।আ,লীগের পতনের পর এখন তিনি বিএনপি নেতাদের উপর ভর করে আবারো ওই কথিত ডাক্তারকে নির্বিবাদে অপচিকিৎসা চালিয়ে যেতে সহযোগিতা করছেন।
আরও অভিযোগ রয়েছে সজীব রানাসহ দুএকজন সহযোগীর নেতৃত্ব ওই ভুয়া ডাক্তার যাবতীয় অপকর্ম চালিয়ে আসছে। কথিত ভুয়া লথিব ডাক্তার সহযোগী সজীব রানা, আব্দুল মালেক রা ভুয়া চিকিৎসা করে এবং সেটি মোবাইলট্যাকের এর মাধ্যমে ওই চাষ্টল কর্মী সজীব রানা সামাজিক যোগাযোগ দিয়ে লাভবান হচ্ছে। অভিযোগ আছে সম্প্রতি একজন সাংবাদিক এই তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে কথিত ওই ডাক্তার সাংবাদিক এর কাছে এসে কৌশলে সাংবাদিকের অজান্তে পকেটে টাকা দেয়ার ভান মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়।এমনকি ওই সাংবাদিকসহ কাজিপুরের সকল সাংবাদিককে হেয়প্রতিপন্ন করে নানাবিধ পোস্ট দেয়। স্থানীয় লোকজন সহ কাজিপরের সাংবাদিকগণ ওই ভুয়া ডাক্তার এবং চাস্টলকর্মী সজীবের খুঁটির জোর কোথায় জানতে চায়। এ বিষয়ে কাজিপুর থানা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর নির্বাহী ডাঃরাসেল জানান,সবে যোগদান করেছি বিষয় টি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এ্যাড. নজরুল ইসলাম । ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ভোরের খবর,খন্দকার এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান। অফিসঃ ১৫০ নাহার ম্যানসন (৫ম তলা) মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,ঢাকা -১০০০। বার্তাকক্ষ-+৮৮০১৭৪৫-৩৫৪২৭৭