

টঙ্গিবাড়ী প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলার আউটশাহী মামাদুল পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের নির্মাণাধীন ভবনে ও ওজুখানায় ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে ওই গ্রামের হরমুজ আলি সৈয়াল ও তার ছেলে শাহিন ছৈয়াল, সোহেল ছৈয়াল, হান্নান ছৈয়াল, মামুন ছৈয়াল গংরা মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে দেশীয় টেটা, লাঠিসোটা নিয়া নির্মাণাধীন ভবনে ভাংচুর চালায়। এ সময় তারা পুরানো ভবনের ওজুখানার সকল পানির কলগুলো ভেঙ্গে ফেলে। ভাংচুরে বাধাঁ দিলে সে মামাদুল গ্রামের জব্বার ফকিরের মেয়ে লিপি বেগমকে রড দিয়ে পিটিয়ে মাথা ফাটিয়ে ফেলে এবং সবুজ ফকিরের হাতে টেটা দিয়ে কোপ মেরে আহত করে। এ ঘটনায় আহত লিপি বেগমকে টঙ্গিবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্র হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শত বছরের পুরানো মামাদুল গ্রামের পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদের পশ্চিম পাশে নতুন মসজিদ নির্মাণ করছে ওই এলাকার লোকজন। সবেমাত্র পিলার খুড়ে বেঞ্চ ঢালাইয়ের কাজ চলছে। স্থাণীয়রা বলেন, আগের ভবনটি পুরাতন হয়ে যাওয়ায় আমরা মসজিদের পাশেই ওয়াকফকৃত জমিতে নতুন ভবন নির্মাণ করছি। এলাকার চেয়ারম্যানসহ স্থাণীয় লোকজন আমাদের ওয়াকফকৃত ১২শতাংশ জমি মেপে সীমানা নির্ধারণ করে দিয়ে গেছে। আমরা নির্ধারিত সীমানার মধ্যেই মসজিদের কাজ করছি। কিন্তু তারপরেও হরমুজ আলি সৈয়াল ও তার ছেলেরা আমাদের মসজিদের নির্মাণ কাজে বাধা দিচ্ছে আমাদের মারধর করছে।
এ ব্যাপারে ওই মসজিদ কমিটির উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন বাউল বলেন, হরমুজ আলী সৈয়ালের ছেলের বাবার ( ইয়াবার) ব্যাবসা করে। এখানে মসজিদ হলে ওরা ঠিকমতো ইয়াবা ব্যবসা করতে পারবোনা তাই ওরা আমাদের ১০০ বছরের পুরাতন মসজিদটি পূণ নির্মাণে বাধা দিচ্ছে। ভুক্তভোগী সবুজ ফকির বলেন, হরমুজ আলি সৈয়াল ও তার ছেলেরা সকালে মসজিদে ভাংচুর করতেছে। আমি ও আমার চাচাতো বোন লিপি বেগম মসজিদে ভাংচুর করতে নিষেধ করায় ওরা আমাদের মারধর করেছে।
এ ব্যাপারে টঙ্গিবাড়ী থানা ওসি তদন্ত শফিউদ্দিন বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি তদন্ত চলছে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকঃ এ্যাড. নজরুল ইসলাম । ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | দৈনিক ভোরের খবর,খন্দকার এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান। অফিসঃ ১৫০ নাহার ম্যানসন (৫ম তলা) মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,ঢাকা -১০০০। বার্তাকক্ষ-+৮৮০১৭৪৫-৩৫৪২৭৭